সোমবার (১৯ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
ইউপি নির্বাচনের তফসিলের আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, তফসিল ঘোষণার আগেই সংলাপের বিষয়ে কমিশন ভাববে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে কমিশন এখনো চূড়ান্ত তফসিল প্রকাশ করেনি বলে এখনই এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার উপযুক্ত সময় আসেনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি সঠিক সময়সূচি নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক সহযোগিতা অপরিহার্য।
চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব কি না—জানতে চাওয়া হলে আব্দুর রহমানেল মাছউদ তাঁর ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করা হয়তো সম্ভব নাও হতে পারে। তিনি জানান, আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিক সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কমিশনকে সামনে এগোতে হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন যুক্তিসংগত কারণে নির্বাচনের মূল প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের এখতিয়ার ইসির আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, আইন পরিবর্তন না করেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার পূর্ণ এখতিয়ার ইসির রয়েছে। প্রয়োজন মনে করলে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
কমিশন বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনাকেই সর্বাধিক প্রাধান্য দিচ্ছে বলে জানান এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচন নিয়ে কমিশন এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে। ফলে অন্য স্থানীয় নির্বাচনগুলো নিয়ে এই মুহূর্তে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইসির প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। প্রথম ধাপ ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি। তৃতীয় ধাপ ২৯ এপ্রিল। চতুর্থ ধাপ ১৩ মে। পঞ্চম ও শেষ ধাপ ২৭ মে।


No comments: